-->

নখের পরিচর্যায় প্রাকৃতিক কোন তেল ব্যবহার করা যায়

নখের পরিচর্যায় প্রাকৃতিক কোন তেল ব্যবহার করা যায়।

নখের পরিচর্যায় প্রাকৃতিক কোন তেল ব্যবহার করা যায়



ভঙ্গুর ও মলিন নখ দেখতে ভালো লাগে না, কিন্তু নখের যত্নে এর আর্দ্রতা ধরে রাখা জরুরি আর এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক তেল বেশ উপকারী হতে পারে।


ঘন ঘন ম্যানিকিউর করা, নখ কামড়ানো, ধুলাবালি, রান্না করার ফলে নখ ক্ষয় হয়ে যাওয়া, নেইল পেইন্ট ইত্যাদি নখের সাথে ঘটে যাওয়া নিত্য ঘটনা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলো ই নখের ক্ষতি করে থাকে সবচেয়ে বেশি।


নখের পুষ্টি ও শক্তি যোগাতে তেল ব্যবহার করা উপকারী হতে পারে, আর এতে নখের কিউটিকল আর্দ্র থাকে, ফলে নখ দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও দেখতে চকচকে হয়। 



নারিকেল তেল এর ব্যাবহার:

নারিকেল তেল ব্রণ, নখের সমস্যা থেকে শুরু করে গোড়ালি ফাটা এসব নানা সমস্যা সমাধানে উপকারী ভূমিকা রাখে এবং এতে আছে প্রাকৃতিক ফ্যাটি অ্যাসিড ও ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল’ উপাদান। এসকল উপাদান

  • নখের সংক্রমণ কমায়, 
  • নখের বৃদ্ধি ভালো রাখে, 
  • ফাটা কমায়, 
  • নখ মজবুত, মসৃণ ও সুস্থ রাখে।


ক্যাস্টর অয়েল:

অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এই ক্যাস্টর অয়েল এবং এটা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, কিউটিকল আর্দ্র রাখে। এবং এই উপাদান নখের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, আর এছাড়াও আছে ‘রাইসিনোলিয়েক অ্যাসিড’ যা নখ সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে থাকে।


লবঙ্গ তেল: 

মাইকোবায়োলজি জার্নাল এ প্রকাশিত এর গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ তেল ছত্রাক ও ব্যাক্টেরিয়া বিরোধী হয় যা নখের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে আর নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।


লবঙ্গ তেল নখের সামগ্রিক সুস্থতা রক্ষা করে। আপনার নখের প্রদাহ ও যে কোনো অস্বস্তি উপশম করতে পারে ও সুস্থ ও শক্তিশালী করে। নখের জন্য লবঙ্গ তেল ব্যবহার পরিচর্যা রুটিনে যোগ করা যায় ও ভালো উপকার পাওয়া যায়। 


ভিটামিন ই তেল:

ভঙ্গুর, রুক্ষ বা হলদে নখের যত্নে ভিটামিন ই তেল উপকারী এবং ভিটামিন ই তেল নখ এর আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান নখ মসৃণ ও আর্দ্র রাখে।

  • কিউটিকলের ক্ষয়পূরণ, 
  • প্রদাহ হ্রাস 
  • নখের ভিত শক্ত করতে 
  • ভিটামিন ই উপকারী।


জলপাইয়ের তেল:

নখের বৃদ্ধি, ফাটা ও ভঙ্গুরভাব কমাতে জলপাইয়ের তেল উপকারী আর এতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড যা চুল, ত্বক ও নখের আর্দ্রতা ধরে রাখে।


তাই ত্বক পরিচর্যার রুটিনে ও নখ ভালো রাখতে এই ধরনের তেল যুক্ত করা যায় ও ব্যাবহার করা যায়।

উপরে উল্লেখ্য প্রতিটা তেলই পুষ্টিকর, তাই এর মধ্য থেকে নিজের সঙ্গে মানানসই বা যেটা আপনার ত্বক এর সাথে মানানসই এমন তেল বাছাই করে নেওয়া যায়, কিন্তু মনে রাখবেন ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরি।